মেয়াদ উত্তির্ণ ঔষধ প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করার অপরাধে দুই ফার্মেসীকে জরিমানা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, মোঃ জাহিদুর রহমান তারিক, ১০ জুলাই, ২০১৯ (বিডি ক্রাইম নিউজ ২৪) : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজারে মেয়াদ উত্তির্ণ ঔষধ নতুন প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করার অপরাধে দুই ফার্মেসী মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমান বাজার তদারকি টিম। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অদিপ্তরের ঝিনাইদহ সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল এই জরিমানা করেন।

সুচন্দন মন্ডল জানান, তারা নিয়মিত ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন বাজারে ভ্রাম্যমান বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালন করেন। মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকায় দুটি ফার্মেসীতে মেয়াদ উত্তির্ণ ওসুধ নতুন প্যাকেটে ভরে বিক্রি করার অপরাধে বিশ্বাস ফার্মেসীকে ১০ হাজার টাকা এবং মুক্তি ফার্মেসীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

                                       আরও খবরঃ- 

অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় ঝিনাইদহের লিপনসহ দু,জনের ১৪ বছর জেল

              মোঃ জাহিদুর রহমান তারিক,

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক গৃহবধূকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় দুই জনকে ১৪ বছর করে কারাদন্ডাাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলো ঝিনাইদহ কালিগঞ্জ উপজেলার আলাইপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে লিপন আলি ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের সোনাই মন্ডলের ছেলে হাবিল হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ৯ নভেম্বর বিকেলে ওই গৃহবধূ শ্বশুড়বাড়ি যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার বড়খাপুর গ্রাম থেকে পিতার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আন্দুলবাড়িয়া গ্রামে যাচ্ছিলেন। তিনি গাড়ি থেকে নেমে জীবননগর আন্দুলবাড়িয়া বাজারে অপেক্ষা করছিলেন।

পরে হেটে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় গ্রামের মাঠে তাকে একা পেয়ে হাবিল হোসেন, লিপন আলিসহ ৫-৭ জন অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটর সাইকেল যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। গৃহবধূর পরিবার অপহরণের বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ৩ দিন পর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে।

অভিযুক্তরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে ১২ নভেম্বর হারেজ মন্ডল বাদি হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখসহ কয়েক জনকে অজ্ঞাত আসামি করে জীবননগর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। জীবননগর থানার এসআই শেখ আজগর আলি মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ ৫ বছর পর ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন শেষে মঙ্গলবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক একজন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ১৪ বছর করে কারাদন্ড ৫হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় লিপন আলি আদালতে উপস্থিত ছিলো। অন্য আসামি হাবিল হোসেন পালাতক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *