নোয়াখালী টনসিল ও পলিপাসের ভুল অপারেশনে রোগির মৃত্যুর অভিযোগ
২৯ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রোগির মৃত্যুর পর ওই হাসপাতালে ভিড় করে রোগির স্বজন ও স্থানীয়রা। এসময় দ্রুত পালিয়ে যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মৃত রিংকি আক্তার জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ বাবুল মেয়ে।
মৃত রিংকি আক্তারের বড় ভাই মো. শাকিল অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন আগে রিংকির গলায় সমস্যা দেখা দিলে আমরা ঢাকায় ডাক্তার দেখায়। সেখান থেকে জানানো হয় তার গলায় টনসিল ও নাকের পলিপাসে সমস্যা রয়েছে, তবে এটি বড় ধরনের কোনা সমস্যা না প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। পরবর্তীতে মাইজদীতে নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ই এন টি হাসপাতালে চেম্বার করা ডা. মো. মজিবুল হকের কাছে নিয়ে আসি। একটি বাসার মধ্যে থাকা হাসপাতালটির মালিক ডা. মজিবুল হক। তাকে দেখানোর পর তিনি জানান দুটা সমস্যা নিয়ে ছোট অপারেশন করতে হবে। মজিবুল হকের কথা মতো গত ২৫ নভেম্বর দুপুরে রিংকিকে হাসপাতালে আনা হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টনসিল ও পলিপাসের অপারেশন করা হয়। এরপরদিন তাড়াহুড়ু করে তাকে রিলিজ দিয়ে দেন ডাক্তার।
বাড়ি নেওয়ার পর থেকে রিংকির শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আজ শনিবার (২৯নভেম্বর) সকাল রিংকির গলা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকলে আমরা দ্রুত তাকে ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে আসি। এখানে আনার পর তারা জানায় সে মারা গেছে। এরপর দ্রুত হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যায় ডা. মজিবুল হক ও তার হাসপাতালের অনান্যরা। তিনি এ চিকিৎসকের শাস্তি দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি আর অভিযুক্ত চিকিৎসক মজিবুল হকের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
