নোবিপ্রবি আইন বিভাগের ২য় ব্যাচের ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠিত
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও যেটুকু আমরা দিতে পেরেছি সেটুকু দিয়েই আপনারা বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবেন। দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইন বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের অবারিত সুযোগ রয়েছে। আপনারা সেটাকে কাজে লাগাবেন।
এ সময় গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য আরও বলেন, আধুনিক যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে মানুষের সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্ত সমস্যা উত্তরণের জন্য সাইবার আইন, তথ্য প্রযুক্তি আইন, ডাটা প্রটেকশন আইন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার বিষয়ক ক্ষেত্রগুলোতে আমাদের দক্ষ আইনজীবী প্রয়োজন। তরুণ আইনজীবীদের এসব সেক্টরে কাজ করার আহ্বান জানাই। পাশাপাশি ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সাধারণ মানুষ যেনো দ্রুততার সাথে বিচার পায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
নোবিপ্রবি আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. শাফি উল্ল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু সায়েম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ (মুরাদ) ও নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।
ব্যারিস্টার আবু সায়েম তার বক্তব্যে বলেন প্রত্যেক ধর্মগ্রন্থে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য। তেমনি চব্বিশের জুলাই বিপ্লবও সংঘটিত হয়েছে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য। আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে প্রত্যাশা করি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা আহমেদ চৌধুরী এবং রাশেদুর রহমান সৃজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাজ্জাদুল করিম। বিদায়ী ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মো. মুবদি ইসলাম রাফিন ও সাদিয়া আক্তার রিয়া। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
