জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন রাজনৈতিক দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকা, ১৭ মে, ২০১৯  (বিডি ক্রাইম নিউজ ২৪) : আওয়ামী লীগের ওপর দেশের জনগণ যে আস্থা ও বিশ্বাস দেখিয়েছে তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে দেশকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহবান জানিয়েছেন। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন যেকোন রাজনৈতিক দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষমতায় থাকলে দেখা যায় দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পায় কিন্তু আমরা ক্ষমতায় থেকেই জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসটা অর্জন করতে পেরেছি। তাঁর দল ক্ষমতায় থাকাকালীন মানুষের জন্য যে উন্নয়ন করেছে, তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যে কাজটা করেছে সেটা মানুষ উপলব্ধি করতে পেরেছে। আর সেটাই সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে গণভবনে তাঁর স্বদেশে প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দল এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর সে সময় বিদেশে অবস্থানকালীন তাঁর বড় মেয়ে শেখ হাসিনা এবং ছোট মেয়ে শেখ রেহানার দেশে ফেরার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তৎকালীন সরকার। ১৯৮১ সালে তাঁর অনুপস্থিতিতেই তাঁকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করলে এক রকম জোর করেই ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দল এবং সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় জাতীয় সংসদের উপনেতা এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। ৩৮ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন উপলক্ষে শেখ হাসিনা দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তাঁদের অপরিসীম ত্যাগ তীতিক্ষার জন্যই আওয়ামী লীগ আজকে বাংলাদেশে এক নম্বর রাজনৈতিক দল। যে পার্টি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে এবং সেই আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন ছিল এবারের নির্বাচন।

তিনি বলেন, নির্বাচনে একেবারে নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে যারা একেবারে প্রথমবারের ভোটার তারা সকলেই ব্যাপকভাবে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে দলের প্রতি তাঁদের আস্থা ও বিশ্বাস জানিয়েছে। সারা বাংলাদেশের মধ্যে আমরা একটা যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছি। অন্তত এটুকু বলতে পারি এই ৩৮ বছরে বাংলাাদেশের বা দেশের মানুষের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কোন কাজ আমি বা আমার পরিবারের কোন সদস্য করে নাই। নিজের চাওয়া-পাওয়ার জন্য নয়, দেশের মানুষের জন্য, তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই কাজ করেছি। যতবারই ক্ষমতায় এসেছি, কাজ করেছি এবং মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছি। যা আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং দেশটা যেন ঐ স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের হাতে এদেশের মানুষের ভাগ্যটা চলে না যায় তারা যেন আর কোনদিন এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *