belge istemeyen ikili opsiyon qual o melhor forex ou opções binárias trabalhar agora com opções binárias opções binárias abertura segunda feira como funcuina opções binárias binary option example

উপ-নির্বাচনে বেগমগঞ্জে উপজেলা চেয়াম্যান পদে আ’লীগ প্রার্থী জয়ী

নোয়াখালী প্রতিনিধি, লুৎফুল হায়দার চৌধুরী, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০ (বিডি ক্রাইম নিউজ ২৪) : অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যদিয়ে শেষ হলো নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ প্রার্থী শাহনাজ বেগম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আজিম পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৫৮ ভোট। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ১৪৬টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়ে বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ৪ লাখ ১৬ হাজার ২৩৪জন।

গত ২৭ সেপ্টম্বর বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক বাদশা মৃত্যুবরণ করায় শূণ্যপদে এ উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী চারজন।

এদিকে,

**কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগ বেগমগঞ্জে উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর পুনঃ নির্বাচনের দাবী**

নোয়াখালী প্রতিনিধি, লুৎফুল হায়দার চৌধুরী, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০ (বিডি ক্রাইম নিউজ ২৪) : নোয়াখালী বেগমগঞ্জে উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে অনিয়ম, ব্যালট পেপার ছিনতাই, কেন্দ্র দখল ও ভোট জালিয়াতির প্রতিবাদে এবং পুনঃ নির্বাচনের দাবীতে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আজিম সুমন সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আজিম সুমনের চৌমুহনী নির্বাচনী অফিসে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস, সাধারন সম্পাদক মাহফুজুল হক আবেদ, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মহসিন আলম প্রমূখ।

বক্তাগন অভিযোগ করেন বৃহস্পাতিবার বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে সরকারী দলের লোকজন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে প্রকাশ্যে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়ে জোর পূর্বক তাদের নৌকায় সিল মারে। তারা আরো অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনী ব্যালটে নৌকা মার্কার উপরে নির্বাচন কমিশন অফিসের সিল মারা অনেক ব্যালট পাওয়া গেছে যা-নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথম।

তারা বলেন, অনেক ব্যালট পেপাররে নৌকায় সিল মারা পুরো বই রাস্তায় পাওয়া গেছে। এসকল বই তারা পূর্বেই সিল মেরে রেখেছিলো। নির্বাচনে ১৫ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্নস্থানে পিটিয়ে আহত করা হয়। তারা মাইজদী, লক্ষ্মীপুর সহ উপজেলার বাহির থেকে শত শত বহিরাগতদের এনে জাল ভোট প্রয়োগ করে।

তারা আরো বলেন, ভোট চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের কারন দেখিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর ৮০ টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহন স্থগিত করার জন্য তাৎক্ষনিক আবেদন করলেও তারা কর্ণপাত করেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *